শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

শ্রেষ্ঠ অভিনেতা শাকিব অভিনেত্রী পূর্ণিমা


রামু নিউজ রিপোর্ট: ২০১০ সালের জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে জন্য ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত ছবি ‘গহীনে শব্দ’ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র, এই ছবির জন্য খালিদ মাহমুদ মিঠু শ্রেষ্ঠ পরিচালক, ‘ভালবাসলে ঘর বাঁধা যায় না’ ছবির জন্য শাকিব খান শ্রেষ্ঠ অভিনেতা এবং ‘ওরা আমাকে ভাল হতে দিল না’ ছবির জন্য পূর্ণিমা শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পাচ্ছেন বলে জানা গেছে। গত ২২শে ফেব্রুয়ারি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০১০-এর জন্য মনোনীত জুরি

শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

রামু খিজারী বার্মিজ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কৃতিত্ব


সোয়েব সাঈদ. রামু খিজারী বার্মিজ সরকারী প্রাথমি
ক বিদ্যালয়ের দুজন শিক্ষার্থীর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি লাভ এবং অপর দুজন শিক্ষার্থী আন্তঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় জেলা পর্যায়ে প্রথম হয়েছে। ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্তরা হলো, পূর্বরাজারকুল গ্রামের শিক্ষক সুমন বড়ুয়া ও প্রয়াত শিখা বড়ুয়ার মেয়ে অবন্তী বড়ুয়া তরী এবং লট উখিয়ারঘোনা এলাকার আবুল হোছন ও ফাতেমা বেগমের ছেলে আমান উল্লাহ। আন্তঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় জেলায় পর্যায়ে উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র শীর্ষক বড়ুয়া উষ্ণ। শীর্ষক বড়ুয়া উষ্ণ রামুর পূর্ব মেরংলোয়া গ্রামের শিক্ষক সুরজিত বড়ুয়া ও লিপি রানী বড়ুয়ার ছেলে। একই প্রতিযোগিতায় সাধারণ নৃত্য খ বিভাগে প্রথম হয়েছে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র তুহিন বড়ুয়া অপু। তুহিন বড়ুয়া অপু রামুর পূর্ব মেরংলোয়া গ্রামের মৃদুল বড়ুয়া ও লাভলী বড়–য়ার ছেলে। প্রতিযোগীতায় বিজয়ী এ দুই শিক্ষার্থী আগামী ২৮ ফেব্র“য়ারি চট্টগ্রামে বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। কৃতি এসব শিক্ষার্থীরা তাদের কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, পরিচালনা কমিটির সদস্য সহ সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে।

রামুতে মতবিনিময় সভায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ জয়নুল বারী ; সরকার ২০১৩ সালের মধ্যে দেশকে নিরক্ষরমুক্ত করতে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে

আল মাহমুদ ভূট্টো. রামু উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এসএমসি সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোঃ জয়নুল বারী বলেছেন, বর্তমান সরকার ২০১৩ সালের মধ্যে নিরক্ষরমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সবার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করে ১ জানুয়ারী সবার হাতে বই তুলে দিয়ে সরকার যুগান্তকারী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তিনি বলেন, শিক্ষক এবং পরিচালনা কমিটির সদস্যদের সমন্বয়ে বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন এবং শিক্ষার মানোন্নয়ন করা সম্ভব। গতকাল বৃহষ্পতিবার (২৩ ফেব্র“য়ারি) সকাল ১১ টায় রামু উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শহীদ মোহাম্মদ ছাইদুল হকের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, রামু উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমকর্তা মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মুসরাত জাহান মুন্নী, ফজলুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান। এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ জাকের উল্লাহ। মন্ডলপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আ,ন,ম আজগর হোছাইন এর সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং রামু উপজেলার ১২৬ টি সরকারী, রেজিষ্ট্রার্ট, কমিউনিটি, বেসরকারী, কিন্ডার গার্টেন, এনজিও ও ব্র্যাক শিক্ষা কেন্দ্রের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার মানোন্নয়নে তাঁদের মতামত পেশ করেন। শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন, খুনিয়াপালং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাকের হোসেন। জেলা প্রশাসক মোঃ জয়নুল বারী রামু থানা, ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র ও রামু ভূমি অফিস পরিদর্শন করেছেন। এসময় রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একে নজিবুল ইসলাম, ওসি (তদন্ত) মেজবাহ উদ্দিন খাঁন, ফতেখাঁরকুল ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম ভূট্টো, ইউপি সদস্য-সদস্যাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

রামুতে যথাযথ মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও মহান শহীদ দিবস উদযাপন


রামু নিউজ ডটকম প্রতিবেদক ঃ কক্সবাজারের রামুতে স্থানীয় প্রশাসনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন দিনব্যাপী নানা আনুষ্ঠানিকতায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও অমর শহীদ দিবস উদযাপন করেছে। ২১ ফেব্রুয়ারী প্রথম প্রহরে রামু উপজেলা পরিষদস্থ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনের জেলার প্রথম শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি পুষ্পমাল্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রামু উপজেলা পরিষদ, উপজেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, বিএনপি, রামু প্রেস ক্লাব, রামু ডিগ্রী কলেজ, রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, রামু বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, আওয়ামী যুবলীগ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, যুবদল, ছাত্রদল, শব্দায়ন আবৃত্তি একাডেমী, মৈত্রী’০২, মেরংলোয়া প্রতিভা ছাত্র সংসদ, দি লার্নার্স হোম, রামু নিউজ ডটকমসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সংগঠন। সকালে স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও অর্ধনমিতকরন, কালো ব্যাজ ধারন করে প্রভাত ফেরী, ছাত্র-ছাত্রীদের রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, ভাষা শহীদদের স্মরনে আলোচনা সভা ও শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া রামু রামকোট জগতজ্যোতি চিলড্রেন ওয়েলফেয়ার হোম্স ও গর্জনীয়া উচ্চ বিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের তৈরী কৃত্রিম শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পন করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

ত্রিপুরা সরকার কর্তৃক ভাষা সম্মাননায় ভূষিত জাতিসত্বার কবি নরুল হুদা


রামু নিউজ রিপোর্টঃ বাংলাদেশের জাতিসত্বার কবি মুহাম্মদ নরুল হুদাকে ভাষা
সম্মাননায় স্মমানিত করলো ত্রিপুরা সরকার । মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে তিন কবি সাহিত্যিককে ভাষাসম্মান জানায় রাজ্য সরকার। সম্মান প্রাপ্তদের মধ্যে একজন নরুল হুদা। এদিন সন্ধ্যা ৭ টায় স্থানীয় নজরুল কলাক্ষেত্রের আনন্দ প্রেক্ষাগৃহে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষষ্ঠানে নরুল হুদার হাতে স্মারক উপহার তুলে দেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। সম্মাননার জবাবে নরুল হুদা বলেন, ত্রিপুরার মানুষের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। আগরতলার সঙ্গে আমাদের নিবিড় সম্পর্ক মুক্তি যুদ্ধের সময় থেকেই। ২১ ফেব্রুয়ারি সম্পর্কে নরুল হুদা বলেন, একুশ আমাদের অহঙ্কার। একুশ আমাদের গর্ব। আমার ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্র চেয়েছিলাম। ভাষার আন্দোলন আমাদের স্বাধিকার দিয়েছে। এদিন ২১-১৯ ভাষাসম্মানে ভূষিত করা হয় ত্রিপুরার কবি কল্যাণব্রত চক্রবর্তীকেও। তিনি বলেন, পুঁজিবাদি বিশ্বায়ন চাইছে, এক বাজার, এক সংস্কৃতি ও এক ভাষা চালু করতে। তারা আমাদের মুখের ভাষা কেড়ে নিতে চাইছে। এর বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিরোধ গড়তে হবে। মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার অনুষ্ঠানে বলেন, সব ভাষার বিকাশ চাই আমারা। ভাষার মধ্যে কোনো ছোট-বড় ভেদ নেই। সব ভাষাই সমান। মানিক সরকার বলেন, আমরা চাই সব ভাষাকে সমান গুরুত্ব দিতে। এই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে ত্রিপুরার সরকার। অনুষ্ঠানে সভাপতি ছিলেন তথ্য সংস্কৃতি মন্ত্রী অনিল সরকার। এদিন আসামের মহিলা কবি অনুরূপা বিশ্বাসকেও সম্মান জানানোর কথা ছিল। কিন্তু তিনি আসতে পারেননি। অনুষ্ঠানে মঞ্চে মহম্মদ নরুল হুদা তার লেখা কিছু বই মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার এবং মন্ত্রী অনিল সরকারের হাতে তুলে দেন শুভেচ্ছা স্মারক হিসেবে। এর পর হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এদিন বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে দুপুরেও স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে অনুষ্ঠান হয়েছে। রাজ্যের প্রতিটি সীমান্ত এলাকায় বিপুল উতসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে এই দিনটি পালন করা হয়েছে। সগ্রহঃ উখিয়া নিউজ.

এক সপ্তাহে ১২ টি উন্নয়ন প্রকল্পের নকশা অনুমোদন দীর্ঘ ১১ মাস পর কক্সবাজারে নকশা অনুমোদন দেয়া শুরু

মহসীন শেখ॥   দীর্ঘ এগার মাস পর কক্সবাজারে নকশা অনুমোদন দেয়া শুরু হয়েছে। গত এক সপ্তাহে বিভিন্ন ডেভেলপার কোম্পানীর ১২ টি উন্নয়ন প্রকল্পের ...