তথ্য ও প্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
তথ্য ও প্রযুক্তি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ২ এপ্রিল, ২০১২

বাংলানিউজ-আইইউবি জাতীয় উদ্ভাবনী যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছে ‘অটো কালটিভেটর’

॥ রামু নিউজ ডেস্ক ॥   
অনলাইন সংবাদমাধ্যম বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম এবং ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি) আয়োজিত ‘জাতীয় উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতায় কলেজ পর্যায়ের নটরডেম কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রকল্প ‘অটো কালটিভেটর’ প্রজেক্ট যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে।
অনুষ্ঠিতব্য ইন্টেল ইন্টারন্যাশনাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ফেয়ারে অংশ নিতে

বৃহস্পতিবার, ২৯ মার্চ, ২০১২

থ্রি জি: ৫ অপারেটরের নিলাম ৩ সেপ্টেম্বর

॥ রামু নিউজ ডেস্ক ॥ 
আগামী ৩ সেপ্টেম্বর থ্রিজি মোবাইল সার্ভিস লাইসেন্সের নিলামের সময় নির্ধারণ করে এর খসড়া নীতিমালা মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে বিটিআরসি।
চলতি সপ্তাহে চারটির পরিবর্তে পাঁচটি অপারেটরকে থ্রিজি লাইসেন্স

মঙ্গলবার, ২০ মার্চ, ২০১২

অপারেটিং সিস্টেমটি অ্যানোনিমাসের তৈরি নয়!

॥ রামু নিউজ ডেস্ক ॥
সম্প্রতি অ্যানোনিমাস হ্যাকার গ্রুপের তৈরি করা দাবি করে একটি অপারেটিং সিস্টেম ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে যা ইতোমধ্যেই ২৬ হাজারেরও বেশি মানুষ ডাউনলোড করেছেন। তবে গ্রুপটি জানিয়েছে, তারা এই অপারেটিং সিস্টেম তৈরিই করেনি। খবর বিবিসির। সূত্র জানিয়েছে, ওপেন-সোর্স অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্স কার্নেলের

বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

সাইবার-যুদ্ধে ভারতের পরাজয়!


বাংলাদেশভিত্তিক ব্ল্যাকহ্যাট হ্যাকারস গ্রুপ বিএসএফের একটিসহ ভারতের প্রায় ২০ হাজার ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে। হ্যাকিংয়ের কারণে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ওয়েবসাইটটি (www.bsf.nic.in) পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দক্ষিণ ভারতের বহুল প্রচারিত ইংরেজি ভাষার দৈনিক ডেকান ক্রনিকল আজ এ খবর জানিয়েছে। ক্রনিকলের খবরে বলা হয়, ব্ল্যাকহ্যাট হ্যাকারস গ্রুপ দাবি করেছে সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যার প্রতিবাদে তারা এ কাজ করেছে। ফেসবুকে এই গ্রুপের একটি ফ্যান পেজে এক হ্যাকার লিখেছেন, ‘ভারতের সঙ্গে আমাদের কোনো ব্যক্তিগত বিষয় নেই। কিন্তু বিএসএফের বর্বরতা এবং সর্বোপরি ভারত সরকার এটা করতে আমাদের বাধ্য করেছে।’ পত্রিকাটি বলেছে, ‘অপর একটি পোস্টে এক হ্যাকার লিখেছেন, ভারত ১৯৭১ সালে আমাদের সমর্থন করেছে। এখন তারা আমাদের হত্যা করছে। একজন ভণ্ড বন্ধুর চেয়ে একজন প্রকাশ্য শত্রু ভালো।’ অপর একটি পোস্টে এক পাঠক লিখেছেন, ‘আমি মৃত্যুর পরোয়া করি না। জয়ী না হওয়া পর্যন্ত আমি আমার মাতৃভূমির জন্য যুদ্ধ অব্যাহত রাখব।’ ডেকান ক্রনিকল জানিয়েছে, বাংলাদেশের এই হ্যাকার গ্রুপটি ভারতের একটি জনপ্রিয় শেয়ার বাজারবিষয়ক সংবাদ ওয়েবসাইটও (www.paisacontrol.com) হ্যাক করেছে। অনেক ওয়েবসাইট হ্যাক করার পর এই গ্রুপটি ওই সাইটে নানা ধরনের দাবি পোস্ট করেছে। এর মধ্যে রয়েছে—‘বিএসএফ, সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যা বন্ধ কর।’ এ ছাড়া ‘থ্রিএক্সপায়ারথ্রি সাইবার আর্মি নামের একটি বাংলাদেশি হ্যাকার গোষ্ঠী ভারতের সাত শতাধিক ওয়েবসাইট হ্যাক করেছে বলে খবরে দাবি করা হয়েছে। খবরে বলা হয়, ‘ব্ল্যাকহ্যাট হ্যাকারস লিখেছে, তারা এই হ্যাকিং উত্সব উদযাপন করছে। ভারতীয় হ্যাকার গোষ্ঠীর সদস্য অ্যাসেল ইন্ডিয়া ভয়ে সাইবার বিশ্ব ছেড়ে গেছে। তাই আমরা বলতে পারি, এই সাইবার যুদ্ধে ভারতের পরাজয় হয়েছে।’ বাংলাদেশি হ্যাকার পরিচয় দানকারীরা বলছেন, বিএসএফ সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ও অত্যাচার বন্ধের দাবিতে বাংলাদেশি হ্যাকাররা এই সাইবার-যুদ্ধ শুরু করেছেন। টিপাইমুখ বাঁধসহ অন্যান্য বিষয়ের কথাও তাঁরা বলছেন। ৯ ফেব্রুয়ারি ভিডিও আদান-প্রদানের ওয়েবসাইট ইউটিউবে ভারত সরকারের প্রতি একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে ‘বিডি ব্ল্যাকহ্যাট হ্যাকারস’। ভিডিওতে মুখোশ পরা একজন হ্যাকারকে যান্ত্রিক (রোবটিক) গলায় কথা বলতে দেখা যায়। তাঁর বক্তব্য হলো, ‘হ্যালো বাংলাদেশের নাগরিকরা, আমরা বাংলাদেশ ব্ল্যাকহ্যাট হ্যাকারস। এখন সময় আমাদের চোখ খুলবার। বিএসএফ এক হাজারের বেশি বাংলাদেশি নাগরিককে হত্যা করেছে, তাদের গুলিতে আহত হয়েছে আরও ৯৮৭ বাংলাদেশি। অপহূত হয়েছে হাজারো মানুষ। এটি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। তারা অবিচার করছে। সংকটময় এ মুহূর্তে বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে আমাদের কিছু দায়িত্ববোধ রয়েছে, আমরা চাই ভারত সরকার নিরপরাধ বাংলাদেশিদের হত্যা করা বন্ধ করুক। নতুবা আমরা ভারতীয়দের বিরুদ্ধে সাইবার-যুদ্ধ শুরু করব। এটি চলতেই থাকবে।’ বাংলাদেশের ‘বাংলাদেশ সাইবার আর্মি’, ‘বিডি ব্ল্যাকহ্যাট হ্যাকারস’, ‘এক্সপায়ার সাইবার আর্মি’—এ তিনটি হ্যাকার গ্রুপ এই সাইবার-যুদ্ধে নেতৃত্ব দিচ্ছে। কয়েকজন হ্যাকার জানান, বাংলাদেশি হ্যাকারদের সমর্থন দিয়েছে আন্তর্জাতিক হ্যাকার দল ‘অ্যানোনিমাস’। এ ছাড়া পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া ও সৌদি আরবের শক্তিশালী হ্যাকাররা বাংলাদেশি হ্যাকারদের সমর্থন দিয়ে গতকাল থেকে ভারতীয় সাইটে আক্রমণ করছেন। হ্যাকারদের ফেসবুক গ্রুপ, বিভিন্ন বাংলা ব্লগসাইটের একাধিক ব্লগে বাংলাদেশি হ্যাকারদের আক্রমণের হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে। প্রথম আলোয় পাঠানো ব্ল্যাকহ্যাট হ্যাকারস দলের একটি ই-মেইলে বলা হয়েছে, এ আক্রমণ চলতেই থাকবে। ওই ই-মেইলে বাংলাদেশের কোনো সাইট আক্রান্ত হলে বা আক্রমণ ঠেকাতে ওয়েবমাস্টারদের কী করতে হবে, তার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। এদিকে ভারতের ‘ইন্ডিশেল’ হ্যাকার দল বাংলাদেশি সাইটগুলোতে আক্রমণে নেতৃত্ব দিচ্ছে। অপরদিকে ভারতীয় হ্যাকারদের দাবি অনুযায়ী বাংলাদেশের ৩০০ সাইটে আক্রমণ করা হয়েছে।

রবিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

অষ্ট্রেলিয়ায় এসএমএস স্প্যামিং এর দায়ে নকিয়াকে জরিমানা


সময়ের তালে তালে পত্রিকা, টেলিভিশন, রেডিওর পরিবর্তে বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য ইমেইল এমনকি শর্ট মেইল সার্ভিস [এসএমএস] কে বেছে নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলো। এসমএমএস মার্কেটিংয়ের এই পদ্ধতিটি যখন মাত্রাতিরুক্ত হয়ে পড়ে তখন স্প্যামিং হিসেবেই বিবেচিত হয়। বিরক্ত হয় সেলফোন ব্যবহারকারী। সম্প্রতি এই এসএমএস স্প্যামিয়ের বিষয়টি প্রযুক্তিবিশ্বে আলোচনায় এসেছে। কারণটি হলো, বিশ্বের বৃহত্তম সেলফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নকিয়াকে এসএমএস স্প্যামিংয়ের কারণে জরিমানা করেছে অষ্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রনকারী সংস্থা। একইসাথে ফিনল্যান্ডের এই প্রতিষ্ঠানকে এসএমএস মার্কেটিংয়ের পদ্ধতিটিকে বদলে ফেলার দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি। অষ্ট্রেলিয়ার কমিউনিকেশন অ্যান্ড মিডিয়া অথোরিটি সম্প্রতি আবিষ্কার করে যে, কোনো প্রকার গ্রাহক নিবন্ধন ছাড়াই নকিয়া গ্রাহকদেরকে তাদের সেলফোনের সম্পর্কে আগ্রহ সৃষ্টি করে। এমনকি যথাযথ কর্তৃপক্ষ যাতে বুঝতে না পারে তার জন্য মাঝে মাঝে সেলফোন ব্যবহারের বিভিন্ন টিপস সম্পর্কিত এসএমএস প্রদান করে। যেটি স্থানীয় আইনে অবৈধ। সংস্থাটি একটি বিবৃতিতে আরো জানায়, নকিয়া এসএমএস মার্কেটিংয়ে জড়িত চাকরিজীবিদের আইন সম্পর্কে প্রশিক্ষন দিতে সম্মত হয়েছে। একইসাথে তারা ৫৭ হাজার ৭৫০ ডলার জরিমানা দিবে বলে জানিয়েছে। বিবৃতিতে কমিউনিকেশন অ্যান্ড মিডিয়া অথোরিটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রিচার্ড বিন বলেন, এসএমএস মার্কেটিংয়ে জড়িত থাকা কিছু কিছু ব্যবসা বৈধ নয়। ইমেইল মার্কেটিং ও এসএমএম মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রয়োজ্য। গ্রাহকের অনুমতি ছাড়া কোনো প্রকার বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত এসএমএম বা ইমেইল পাঠানো যাবে না। একই আইন ছোট, বড় সকল ব্যবসায় প্রয়োজ্য। undefined স্থানীয় বিভিন্ন ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিসসহ সেলফোন মার্কেটিংয়ে এসএমএস মার্কেটিং একটি আশানুরুপ বিজ্ঞাপন পদ্ধতি। এর মাধ্যমে যেকোনো বিষয় সহজেই সব শ্রেনীর মানুষের কাছে পৌছে দেয়া যায়। কিন্তু এতে গ্রাহকদের আগ্রহ কম বা সাড়া পাওয়ার পরিমান আশানুরুপ নয়। অষ্ট্রেলিয়ার এই নিয়ন্ত্রনকারী প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, এমএমএস মার্কেটিংকে অধিকাংশ গ্রাহক স্প্যাম হিসেবে বিবেচিত করেন এবং বিরক্ত হন।

এক সপ্তাহে ১২ টি উন্নয়ন প্রকল্পের নকশা অনুমোদন দীর্ঘ ১১ মাস পর কক্সবাজারে নকশা অনুমোদন দেয়া শুরু

মহসীন শেখ॥   দীর্ঘ এগার মাস পর কক্সবাজারে নকশা অনুমোদন দেয়া শুরু হয়েছে। গত এক সপ্তাহে বিভিন্ন ডেভেলপার কোম্পানীর ১২ টি উন্নয়ন প্রকল্পের ...