শিক্ষা ও সাহিত্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শিক্ষা ও সাহিত্য লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ৮ এপ্রিল, ২০১২

মহানবী (সা.) এর আদর্শ অনুশীলনের মাধ্যমে মহৎ গুণাবলী অর্জন করতে হবে ..... ড.আ.ফ.ম খালিদ হোসেন

হাফেজ মুহাম্মদ আবুল মঞ্জুর ॥
চট্টগ্রাম এম.ই.এস কলেজের অধ্যাপক ও মাসিক আত্-তাওহীদ সম্পাদক ড.আ.ফ.ম খালিদ হোসেন বলেছেন, অব্যাহত ধর্মচর্চা মানুষের মনে মানবিক মূল্যবোধের উন্মেষ ঘটায়। বড়দের প্রতি সম্মান,

শনিবার, ৭ এপ্রিল, ২০১২

কক্সবাজারে বিইউজিএফ এর সেমিনারে ড. আ.ফ.ম খালিদ হোসেন : শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সমাজ উন্নয়নে আলেম সমাজকে অগ্রণী ভুমিকা পালন করতে হবে

 প্রেস বিজ্ঞপ্তি॥
কক্সবাজারে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা ফাউন্ডেশন (বিইউজিএফ) আয়োজিত “সামাজিক শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সমাজ উন্নয়নে আলেম সমাজের ভুমিকা” শীর্ষক সেমিনারে প্রধান আলোচক চট্টগ্রাম এম.ই.এস. কলেজের অধ্যাপক ও মাসিক আত-তাওহীদ সম্পাদক ড. আ.ফ.ম খালিদ হোসেন বলেছেন, পবিত্র কুরআন-হাদীসে

প্রখ্যাত মুহাদ্দিস মাওলানা জামাল উদ্দিন গাজী রহ. : নববী আদর্শের প্রতিচ্ছবি

হাফেজ মুহাম্মদ আবুল মঞ্জুর ॥
মৃত্যু অবধারিত সত্য একটি বিষয়। যারাই জন্ম গ্রহণ করে তারা অবশ্যই এ সত্যের মুখোমুখি হতে বাধ্য। এ প্রসঙ্গে আল্ল­াহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন “প্রত্যেক প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে”। তবে যুগে যুগে পৃথিবীতে এমন অনেক বুযুর্গানেদ্বীনের আবির্ভাব হয় যাদের ইন্তেকালে সমগ্রজাতি শোকে কাতর হয়ে পড়ে, চোখে অশ্র“র বন্যা বয়ে যায়। এমনকি আসমান-জমিন পাহাড়-পর্বত, গাছ-পালা, পশু-পাখি ও সাগর-নদীসহ সমস্ত সৃষ্টি কুলে এসব মাকবুল বান্দাদের বিদায়ে করুণ

রাঙামাটিতে এশায়াত মাহফিলে অধ্যক্ষ ছৈয়্যদ মুনির উল্লাহ্ : অধিক দরুদ পাঠে অন্তরকে রাসূলপ্রেমে সিক্ত করে তোলে

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ॥
কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফের মোর্শেদে আজম আওলাদে রাসূল হযরতুলহাজ্ব শাহ্ছুফি অধ্যক্ষ আল্লামা ছৈয়্যদ মুহাম্মদ মুনির উল্লাহ্ আহমদী মাদ্দাজিল্লুহুল আলী বলেছেন, মহান আল্লাহর কৃপাদৃষ্টি লাভ করতে হলে

শনিবার, ৩১ মার্চ, ২০১২

উচ্চাকাঙ্খার লক্ষে শিক্ষাঙ্গনে রাখাইন শিক্ষার্থীরা

॥জাবেদ আবেদীন শাহীন॥ 
কক্সবাজার সিটি কলেজেরে শিক্ষার্থী খিন খিন নু, মাখিন, উছেন থেন জানান, ক্যারিয়ার গড়ার লক্ষে অনেক কষ্টে এই পর্যন্ত আসা। ভবিষ্যতের ব্যাংকার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে ভাল ফলাফল অর্জনে এগিয়ে চলছি। তখনকার সময়ে লেখাপড়ার সুযোগ না থাকায় বাবামার সাধ আমরাই পুরণ করছি। তাদের অনুপ্রেরণায় লেখাপড়ার আগ্রহ বেড়েছে। এক্ষেত্রে লেখাপড়ার পেছনে

বৃহস্পতিবার, ২৯ মার্চ, ২০১২

সংসদে অশ্লীল বক্তব্যে শীর্ষে মনোনীত মহিলা এমপিরা

॥ সৈয়দুল কাদের ॥ 
জাতীয় সংসদে সেই কাঙ্খিত বিরোধী যোগদান করলেও এমপিদের বক্তব্য শুনে জাতি কি জানতে পেরেছে তাই এখন ভেবে দেখার সময় এসেছে। নবাগত কিছু মহিলা এমপির বক্তব্যের ভাষা শুনে মানুষ রীতিমত বিভ্রতবোধ করেছে। পরিবার পরিজন নিয়ে অনেকেই টেলিভিশনে সংসদ অধিবেশন দেখতে সংকোচবোধ

সোমবার, ২৬ মার্চ, ২০১২

‘একচল্লিশ বছর পরেও আমি স্বাধীনতাটাকে খুঁজছি’ কোথায় আমার স্বাধীনতা-

॥ তোফায়েল আহমদ ॥  
ওইতো দেখা যায়। পাহাড়ের উপরই আমার স্বাধীনতা। মাঝখানে লাল পাহাড়ের মাটি। চারিদিকে সবুজ গাছগাছালি। আহ কি সুন্দর। মনে হয় অনেকদুর। আসলে অতি সন্নিকটে। স্বাধীনতা ডাকছে হাতছানি দিয়ে। যাবই যাব স্বাধীনতার পাহাড়ে। কিন্তু বন্ধুর পথ। এক পা সামনেতো দু’পা পেছলে যায়। রাস্তা নির্মাণ করা হয় কিন্তু টেকসই নয়। ব্রীজ-কালভার্ট সবই হয় কিন্তু চুরি-চামারি থেমে নেই। গ্রাম-গঞ্জে উন্নয়ন কর্মকান্ডের কমতি নেই। তবুও পাই না স্বাধীনতার নাগাল।
আমার স্বাধীনতা কতদুর -
একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধ বলুন আর মুক্তিযুদ্ধ বলুন-বাঙ্গালীর মুক্তির জন্য নেতৃত্ব দিয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। তাই বলে সেই আওয়ামী লীগের একার স্বাধীনতা নয়-এই স্বাধীনতা একাত্তরের সাত কোটি আর এখনকার পনের কোটি বাঙ্গালীর গর্বের স্বাধীনতা। এই স্বাধীনতার জন্যই ত্রিশ লাখ বাঙ্গালীর তরতাজা রক্ত রয়েছে। রয়েছে চার লাখ মা-বোনের ইজ্জত। এই স্বাধীনতার জন্যই  বাঙ্গালীর হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান টুঙ্গিপাড়ায় চির শায়িত বঙ্গবন্ধু মুজিবের বিসর্জন রয়েছে স্বপরিবারে ১৯ টি তাজা প্রাণ। তবুও আমি স্বাধীনতাকে খুঁজে পাই না।
স্বাধীনতা তুমি কোথায়-
স্বাধীনতাকে খুঁজছি কালুরঘাট বেতারে। একাত্তরে চট্টগ্রাম বন্দরে ‘সোয়াত’ জাহাজ থেকে অস্ত্র খালাসের দায়িত্বপ্রাপ্ত মেজর জিয়াকে মাঝপথে ফিরিয়ে নিয়েছিলেন তাঁরই ঘনিষ্ট সেনা কর্মকর্তা অলি (কর্ণেল অলি)। তারপর ২৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর পে কালুরঘাট বেতারে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন মুক্তিযোদ্ধা মেজর জিয়াউর রহমান। তারপরেও সেই কালুরঘাটেই স্বাধীনতাকে খোঁজাখুঁজি করা হচ্ছে। স্বাধীনতা খোঁজা হয় রাজনৈতিক মাঠে। স্বাধীনতাকে খোঁজা হয় ভোটের ব্যালটেও। কৃষকের গোলা, ব্যবসায়ীর ক্যাশ বাক্স, শিার্থীদের বই, শিাঙ্গণ, ইতিহাস সহ বাংলার পথে-প্রান্তরে নিরন্তর খোঁজা হয় এই স্বাধীনতাকে। তবুও পাই না।
এইতো আরেক স্বাধীনতা-
উগ্র মৌলবাদী গোষ্টি একের পর এক বোমায় খুঁজে ফিরে আরেক স্বাধীনতা। ৭৫’র ১৫ আগষ্টের ছোবহে সাদেকের সময় জাতির জনককে স্বপরিবারে হত্যার পর খোঁজা হয় এক স্বাধীনতা। তাদের ভাষায় ‘নাজাত।’ সেই গোষ্টিই বার বার আগষ্টে খুঁজে বেড়ায়। সেই ১৫ আগষ্ট ট্র্যাজেডির পর ১৭ আগষ্ট এবং সর্বশেষ ২১ আগষ্টের বোমা এবং ভয়াল গ্রেনেড হামলার পরেও মৌলবাদী জঙ্গী গোষ্টি থেমে নেই। তারা স্বাধীনতা খুঁজে বোমা-গ্রেনেডে। তারাই বানচাল করতে চায় যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যক্রম। তারাও বলে স্বাধীনতার কথা। পার্থক্য কেবল-যে স্বাধীনতায় বাঙ্গালীর মুক্তির স্বাদ নেই। নেই বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের স্বাধীনতার স্বাদ। তাইতো পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই’র এত তৎপরতা। পাচ্ছি না স্বাধীনতাকে।
শিল্পী হায়দার হোসেনের স্বাধীনতা-
দেশ প্রেমিক শিল্পী হায়দার হোসেনের জনপ্রিয় একটি দেশাত্ববোধক গান-‘কি দেখার কথা কি দেখছি-কি ভাবার কথা কি ভাবছি- কি বলার কথা কি বলছি- কি শুনার কথা কি শুনছি-ত্রিশ বছর পরেও আমি স্বাধীনতাটাকে খুঁজছি...।’ শিল্পী হায়দার হোসেন এ গানটি নিশ্চয়ই আজ থেকে আরো এগার বছর আগে রচনা করে সুর দিয়েছিলেন। তিনি তাঁর গানের প্রতিটি শব্দই উচ্চারণ করেছেন একদম বাস্তব সম্মত। যা আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের সাথে জড়িত। শিল্পী তার গানে বলেছেন-স্বাধীনতা মানে কি শুধু শুধু এদেশের দালান-কোঠার মালিক হওয়া ? স্বাধীনতা মানে কি দরিদ্র মানুষগুলোর খাবার কেড়ে নেয়া ? স্বাধীনতা মানে কি অসহায় মানুষ নির্যাতনের শিকার হওয়া ? অর্থাৎ শিল্পী অবাক হয়েই প্রশ্ন করেছেন- স্বাধীনতা নিয়ে যা ভাবার কথা ছিল না আজ তাই আমরা ভাবছি, যা শুনার কথা নয় তাই শুনছি, যা বলার নয় তাই বলছি..। অথচ স্বাধীনতা এরকম হবার কথা নয়। তবুও আমরা সবাই যেন স্বাধীনতাটাকে খুঁজছি আর খুঁজছি। শিল্পী হায়দার হোসেনের সাথে একাতœতা ঘোষণা করে বলতে চাই- একচল্লিশ বছর পরেও আমি স্বাধীনতাটাকে খুঁজছি...।



আমি ধন্য ২৬ মার্চ জন্মদিন আমার.... ওবাইদুল হক আবু চৌধুরী

জীবনের অনবরত যুদ্ধে কান্ত আমি,জন্মদিন মনে রাখার সময় কোথায়? তবে একটা প্রত্যয় মনে পুষে রেখেছিলাম যে, আমার জন্মদিনটা বাংলায় পালন করব। সেই হিসেবে রবীন্দ্রনাথের যেদিন জন্মদিনটা ঘটা করে পালন করা হয়,আমি তার দুই দিন পরে

শুক্রবার, ২৩ মার্চ, ২০১২

প্রায় শত বর্ষীয়ান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রামু খিজরী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়

॥ প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু ॥   
রামুর সুপ্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষঠন রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। প্রায় শত বছর পূর্বে স্থাপিত প্রতিষ্ঠানটি এখনো সগৌরবে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে নিরলসভাবে। জানা যায়, এটিই জেলার সর্বপ্রথম মাধ্যমিক বিদ্যালয়। তবে প্রথম দিকে রামুতে উল্লেখযোগ্য প্রয়োজনীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থকায় ১ম শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত পাঠ দান

রবিবার, ১৮ মার্চ, ২০১২

আপনার অলংকার যখন শত্রু

॥প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু‍‍‍‍‌‌॥  
চুরি, ডাকাতি আমাদের দেশের নিত্য দিনের ঘটনা মাত্র। চুরির ঘটনা বেশির ভাগ রাত্রি বেলায় ঘটে থাকে। কিন্তু এখন দিনের বেলায় ও কম হচ্ছে না । এক চোর জিজ্ঞাসা বাদে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন, সুযোগ পেলে কিবা রাত্রি কিবা দিন

শনিবার, ১৭ মার্চ, ২০১২

কক্সবাজারের প্রাচীনতম বৃহৎ দ্বীনি শিক্ষাকেন্দ্র ॥ চাকমারকুল মাদরাসা ঐতিহ্য ও অবদান

॥ মুহাম্মদ আবুল মঞ্জুর ॥ 
ঈমান-আক্বীদা সমুন্নত রাখা, ইসলামী তাহযীব-তামাদ্দুনের প্রচার-প্রসার, দ্বীনি জ্ঞান আহরন এবং আদর্শ নাগরিক সৃষ্টির জন্য মাদরাসা শিক্ষা ধারার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। তাই ইসলামে নবদীতি মুসলমানদের তা’লীম, ইবাদত-বন্দেগী শিক্ষা দেওয়ার জন্য নবুওয়াতের ৫ম বছর রাসুলে কারীম (স.) সাফা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত আরকাম ইবনে আবুল আরকান মাকজামি (র.) এর ঘর তথা

মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

মেঘ’র দায়িত্ব এখন প্রধানমন্ত্রীর


বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম ”
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাসীর হাতে নিহত সাংবাদিক দম্পতি মেহরুণ রুনি ও সাগর সরওয়ারের একমাত্র শিশুপুত্র মেঘ এর শিক্ষা ও উন্নত জীবন গড়ে তোলার দায়িত্ব নিয়েছেন। তিনি বলেছেন ‘যতদিন আমি জীবিত আছি মেহরুন রুনি ও সাগর সরওয়ারের সন্তানের শিক্ষাসহ উন্নত জীবন গড়ে তোলার জন্য যা যা করার দরকার তার সবই আমি করবো।’ সোমবার সন্ধ্যায় মেঘকে সঙ্গে নিয়ে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যান মেহরুন রুনির মা নুরুনাহার মির্জা ও সাগর সরওয়ারের মা সালেহা বেগম। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে সদ্য স্বজন হারানো এই তিন জন গণভবনে পৌঁছালে এক আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী তাদের জড়িয়ে ধরে সমবেদনা জানান। সাগর ও রুনির দুই মা তাদের সন্তানদের হত্যার বিচার দাবি করেন। প্রধানমন্ত্রী এসময় হত্যার জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচারের প্রতিশ্রুতি পুনব্যর্ক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘স্বজন হারানোর বেদনা কেমন আমি তা জানি। আমরা দুই বোন একসঙ্গে বাবা-মা-ভাইদেরসহ পরিবার পরিজন হারিয়েছি।’ প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি (মিডিয়া) মাহবুবুল হক শাকিল সাংবাদিকদের এসব কথা জানান। শাকিল ছাড়াও এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা-লীর সদস্য আমীর হোসেন আমু ও পরিবেশ ও বনমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

এক সপ্তাহে ১২ টি উন্নয়ন প্রকল্পের নকশা অনুমোদন দীর্ঘ ১১ মাস পর কক্সবাজারে নকশা অনুমোদন দেয়া শুরু

মহসীন শেখ॥   দীর্ঘ এগার মাস পর কক্সবাজারে নকশা অনুমোদন দেয়া শুরু হয়েছে। গত এক সপ্তাহে বিভিন্ন ডেভেলপার কোম্পানীর ১২ টি উন্নয়ন প্রকল্পের ...