বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

গুজব ছড়ানোর দরকার নেই, খুনি ধরা পড়বেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার তদন্ত সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন বলেছেন, গুজব ছড়ানোর কোন দরকার নেই। আমাদের ওপর বিশ্বাস রাখুন। খুনি যে-ই হোক তাকে ধরা পড়তেই হবে। আমরা জড়িতদের খুঁজে বের করতে চেষ্টা করছি। গতকাল দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কোস্টগার্ডের ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোস্টগার্ডের প্যারেড পরিদর্শন করেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শামসুল হক টুকু, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সিকিউকে মুসতাক আহমদ, কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক কাজী সারোয়ার হোসেন প্রমুখ। এ সময় সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তাসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনারা অপেক্ষা করুন। যেকোন সময় সুখবর শুনতে পারবেন। তদন্ত কাজে অগ্রগতি হয়েছে। গোয়েন্দা টিম পুরোদমে তদন্ত কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হাসান মাহমুদ খন্দকার সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সম্মেলনে তিনি তদন্তের অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন। হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করার জন্য বেঁধে দেয়া ৪৮ ঘণ্টা প্রসঙ্গে সাহারা খাতুন বলেন, তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনার গুরুত্ব বোঝানোর জন্য আমাকে এটা বলতে হয়েছিল। নতুন করে আমি আর সময় বেঁধে দিতে চাচ্ছি না। এ সময় তিনি বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের নাতি নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন। এ বিষয়ে একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ৪৮ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেয়ার ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তদন্ত কাজ যেন দ্রুত হয় সে জন্য সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। আপনারা এ ব্যাপারে আইজিরও বক্তব্য শুনেছেন। তদন্ত কাজ চলছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করা ঠিক হবে না। উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সমুদ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী আধাসামরিক বাহিনী হিসেবে কোস্টগার্ড আত্মপ্রকাশ করে।

কক্সবাজারে ৩৭ লক্ষাধিক টাকার হেরোইনসহ আটক ১


কালাম আজাদ, ১৪ ফেব্র“য়ারি, কক্সবাজার: কক্সবাজার সদর উপজেলার কেন্দ্রিয় বাস টার্মিনাল এলাকায় ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী স্টার লাইনের একটি গাড়ীতে তল্লাশী চালিয়ে ১ কেজি ৮শ ৬০গ্রাম হিরোইনসহ ইব্রাহিম সুমন (২৫) নামের এক পাচারকারিকে আটক করেছে বিজিবি। ১৪ ফেব্র“য়ারি মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮ টায় টেকনাফ ১৭ বিজিবি ও ৪২ বিজিবির যৌধ টইল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কেন্দ্রিয় বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে এসব হিরোইনসহ তাকে আটক করে। ১৭ বিজিবি কক্সবাজারের অপারেশন অফিসার মেজর এম এ রাকিব জানিয়েছে. ঢাকা থেকে কক্সবাজারগামী স্টার লাইনের ঢাকা মেট্ট্রো ব -১৪-৬৩৫৪ নাম্বারের বাসযোগে হিরোইন চালান কক্সবাজারের উদ্দেশ্য আসছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে তল্লাশী চালিয়ে ১ কেজি ৮শ’ ৮৬০ গ্রাম হিরোইনসহ ইব্রাহিম সুমনকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত ইব্রাহিম সুমন ফেনীর ফাজিলপুর গ্রামের মোহাম্মদ দুলাল আহম্মেদের ছেলে এবং আটককৃত হেরোইনের মূল্য আনুমানিক সাইত্রিশ লক্ষ বিশ হাজার টাকা ধরা হয়েছে। এ দিকে ৪২ বিজিবি টেকনাফের অধিনায়ক লে.কর্ণেল জাহিদ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। এ দিকে সকাল ১১ টায় ধৃত ইব্রাহিম সুমনকে হেরোইনসহ কক্সবাজার সদর মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১২

আজ বিশ্ব ভালোবাসার দিন


রামু নিউজ ডটকম. সেন্ট ভ্যালেন্টাইন। এক সাহসী ধর্মযাজকের নাম। রোম সম্রাট ক্লদিয়াসের নির্দেশ অমান্য করেছিলেন তিনি। যার জন্য তাকে কারাবরণ করতে হয়েছিলো। আর কারাগারে তিনি যে কাজটি করেছিলেন তা তাকে মৃত্যুর কোলেই টেনে নিয়েছিলো। কিন্তু এই ধর্মযাজক তার সে কাজ দিয়েই গোটা দুনিয়ার মানুষের স্মৃতিতে চিরঞ্জীব হয়ে রইলেন। তিনিই হয়ে রইলেন ভালোবাসার প্রতীক। কারণ সেন্ট ভ্যালেন্টাইন যা কিছু করেছিলেন তা সবই ভালোবাসার জন্য। ১৭৪৩ বছর আগের কথা। ২৬৯ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি ছিলো ভ্যালেন্টাইনের মৃত্যুদ- কার্যকর করার দিন। বেদনাময় সেই দিনটিই হয়ে থাকলো ভালোবাসা প্রকাশের দিন হিসেবে। কী করেছিলেন সেন্ট ভ্যালেন্টাইন? ক্লদিয়াসের জন্য অত্যন্ত গর্হিত অপরাধ। কিন্তু ভ্যালেন্টাইনের জন্য তা ছিলো খুবই মানবিক একটি দায়িত্ব পালন। অত্যাচারী হিসেবে স¤্রাট দ্বিতীয় ক্লদিয়াস ইতিহাস-কুখ্যাত ছিলেন। সে ইতিহাস আরো কলঙ্কিত হলো যখন তিনি ঘোষণা দিলেন, ‘রাজ্যের কোনও যুবক আর বিয়ে করতে পারবে না।’ স¤্রাটের মতে, বিয়ে করলে যুবকরা সেনাবাহিনীতে বীরত্ব দেখাতে পারে না। কিন্তু ধর্মযাজক ভ্যালেন্টাইন ক্লদিয়াসের সে নির্দেশ ভাঙলেন। গোপনে বিয়ে করিয়ে দিলেন একদল তরুণ-তরুণীর। ভালোবাসার প্রতি সম্মান দেখাতেই স¤্রাটের নির্দেশকে অমান্য করলেন এই ধর্মযাজক। কিন্তু ক্লদিয়াসের রোষাণল থেকে মুক্তি পেলেন না তিনি। গ্রেফতার করা হলো তাকে। দেওয়া হলো মৃত্যুদ-। এদিকে জেলখানায় বসে মৃত্যুর প্রহর গুনতে গুনতেই ভ্যালেন্টাইন নিজেই প্রেমে পড়ে গেলেন কারারক্ষকের সুন্দরী কন্যার। যা তার মৃত্যুদ- দ্রুত কার্যকর করাকেই ত্বরান্বিত করলো। ২৬৯ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইনের মৃত্যুদ- কার্যকর করার দিন। কিন্তু ভালোবাসার জয়গান যার প্রাণে বাজে সারাক্ষণ সেই মানুষটি কী থেমে থাকতে পারেন। মৃত্যুর দুয়ারে এগিয়ে যাওয়ার আগে প্রেমিকাকে লিখলেন এক অনবদ্য প্রেমের চিঠি... ফ্রম ইউর ভ্যালেন্টাইন। সে চিঠিই হয়ে থাকলো ভালোবাসা প্রকাশের অবিস্মরণীয় উদাহরণ। আর ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটি হয়ে থাকলো প্রেম নিবেদনের দিন। মন দেওয়া-নেওয়ার দিন হিসেবে বিশ্বের দেশে দেশে দিনটি পালন করে প্রেমিক যুগলেরা। দিনটি পরিচিতি পায় ভ্যালেন্টাইন ডে হিসেবে।

রামুতে সড়ক দূর্ঘটনায় বৃদ্ধের মৃত্যু


নীতিশ বড়ুয়া. কক্সবাজারের রামু উপজেলার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের তেচ্ছিপুল নামক স্থানে সড়ক দূর্ঘটনায় ফরুখ আহমদ (৭০) নামের এক বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। গত ১২ ফেব্র“য়ারী সন্ধ্যায় এ দূর্ঘটনা ঘটে। জানা যায়, উপজেলার তেচ্ছিপুলের মৃত হাজ্বী মুজিবুর রহমানের ছেলে ফরুখ আহমদ প্রতিদিনের ন্যায় মসজিদে মাগরিবের নামাজ শেষে মহাসড়ক পার হয়ে বাড়ি ফেরার পথে দ্রুতগতির মাহিন্দ্র টেক্সি (অন টেষ্ট) ধাক্কা দিলে সে গুরুত্বর আহত হয়। গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার ফরুখ আহমদকে মৃত ঘোষনা করে। ফরুখ আহমদ রামু চৌমুহনী স্টেশনের আলী সওদাগরের পিতা। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মেঘ’র দায়িত্ব এখন প্রধানমন্ত্রীর


বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম ”
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাসীর হাতে নিহত সাংবাদিক দম্পতি মেহরুণ রুনি ও সাগর সরওয়ারের একমাত্র শিশুপুত্র মেঘ এর শিক্ষা ও উন্নত জীবন গড়ে তোলার দায়িত্ব নিয়েছেন। তিনি বলেছেন ‘যতদিন আমি জীবিত আছি মেহরুন রুনি ও সাগর সরওয়ারের সন্তানের শিক্ষাসহ উন্নত জীবন গড়ে তোলার জন্য যা যা করার দরকার তার সবই আমি করবো।’ সোমবার সন্ধ্যায় মেঘকে সঙ্গে নিয়ে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যান মেহরুন রুনির মা নুরুনাহার মির্জা ও সাগর সরওয়ারের মা সালেহা বেগম। সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে সদ্য স্বজন হারানো এই তিন জন গণভবনে পৌঁছালে এক আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী তাদের জড়িয়ে ধরে সমবেদনা জানান। সাগর ও রুনির দুই মা তাদের সন্তানদের হত্যার বিচার দাবি করেন। প্রধানমন্ত্রী এসময় হত্যার জড়িতদের গ্রেপ্তার ও বিচারের প্রতিশ্রুতি পুনব্যর্ক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘স্বজন হারানোর বেদনা কেমন আমি তা জানি। আমরা দুই বোন একসঙ্গে বাবা-মা-ভাইদেরসহ পরিবার পরিজন হারিয়েছি।’ প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারি (মিডিয়া) মাহবুবুল হক শাকিল সাংবাদিকদের এসব কথা জানান। শাকিল ছাড়াও এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা-লীর সদস্য আমীর হোসেন আমু ও পরিবেশ ও বনমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

এক সপ্তাহে ১২ টি উন্নয়ন প্রকল্পের নকশা অনুমোদন দীর্ঘ ১১ মাস পর কক্সবাজারে নকশা অনুমোদন দেয়া শুরু

মহসীন শেখ॥   দীর্ঘ এগার মাস পর কক্সবাজারে নকশা অনুমোদন দেয়া শুরু হয়েছে। গত এক সপ্তাহে বিভিন্ন ডেভেলপার কোম্পানীর ১২ টি উন্নয়ন প্রকল্পের ...