শনিবার, ১০ মার্চ, ২০১২

বর্তমান সরকারের আমলে ঈদগাঁও পোকখালীর অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে ॥ .....সাইমুম সরওয়ার কমল



॥ হাসান তারেক মুকিম ॥
কক্সবাজার-৩ আসনের মহাজোট মনোনীত প্রার্থী ও সোনালী ব্যাংক লিঃ এর পরিচালক সাইমুম সরওয়ার কমল বলেন, বর্তমান সরকারের যুগপযোগী উন্নয়নের ধারাবাহিকতার অংশ হিসাবে ঈদগাঁও-পোকখালীর অভূত উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজার জেলার উন্নয়নে বদ্ধ পরিকর,ইতিমধ্যে দোহাজারি থেকে ককসবাজার হয়ে ঘুমধুম পর্যন্ত রেল লাইন সম্প্রাসারন ও মেডিকেল কলেজ স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। কক্সবাজারের পর্যটন খাতকে গতিশীল করার জন্য অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ  আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দর স্থাপনের কাজও ইতি মধ্যে শুরু হয়েছে।তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার ভিশন ২১ বাস্তবায়ন করার লে সারা দেশে একনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন,তথ্য সেবা, শিা ব্যবস্থার উন্নয়নসহ বিদ্যুৎ সমস্যা দূরীকরনে কার্যকরী পদপে গ্রহনের মাধ্যমে অভূত উন্নয়ন সাধন করছে, যার  সুফল জনগন ইতিমধ্যে ভোগ করতে শুরু করেছে কিন্তু বিএনপি ও  জামাত দেশে মিথ্যাচার ও অরাজকতা সৃষ্টির মাধ্যমে সরকারের এ উন্নয়নকে  বাধাগ্রস্থ করতে উঠে পড়ে লেগেছে। তিনি দলীয় ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে এলাকার উন্নয়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আহবান জানান। গতকাল ১০মার্চ বিকাল সাড়ে তিনটায় পোকখালী মুসলিম বাজারে সদর উপজেলা পোকখালী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের উদ্যোগে আয়োজিত জনসভায় তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেছেন। বক্তব্য রাখেন, কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগ নেতা অধ্যাপক ফিরোজ আহমদ,রামু আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক শামশুল আলম,পোকখালী আওয়ামীলীগের সভাপতি আইয়ুব হেলালী,সহ সভাপতি ফরিদুল আলম,যুগ্ন সম্পাদক মোস্তাক আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের,স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক রেজাউল করিম। সভায় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন,বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ আহমদ মাষ্টার,আওয়ামীগ নেতা হাজি নুরুল কবির,নুুরুল হক,রামু স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারন সম্পাদক তপন মল্লিক,যুগ্ন সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক,পোকখালী ওয়ার্ড় আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ মহিউদ্দিন,আজিজ,আবদুল হালিম,নুরুল কবির,মকতুল হোসেন,মোঃ ছৈয়দ,কাদের হোসেন,আমির হামজাসহ বিভিন্ন ওর্য়াড় থেকে আগত শত শত নেতাকর্মী জনসভায় উপস্থিত ছিলেন।





মফস্বল সাংবাদিকতা: প্রেক্ষাপট মহেশখালী


॥ আবদুর রাজ্জাক, মহেশখালী ॥
“মফস্বল সাংবাদিকের জয় হবেই” সাংবাদিক সুমি খানের এই লেখা সাথে আমি ও একমত পোষন করে মফস্বল সাংবাদিকতা নিয়ে দ’ুচার কলম লিখতে বসলাম। আসলে ষাট,সত্তর এমনকি আশির দশক পর্যন্ত ঢাকার বাইরের অর্থাৎ মফস্বলে সাংবাদিকতাকে চিন্তা করা হতো শখের সাংবাদিকতা। এ সময়ে মফস্বলের সচ্ছল পরিবারের তরুণ-যুবক, রাজনৈতিক কর্মী নিতান্ত শখ কিংবা রাজনৈতিক আদর্শের টানে, আবার কেউ কেউ নিজ এলাকায় নিজের সামাজিক সম্মানের জন্য সাংবাদিকতায় আসতেন। অন্য পেশা বা কাজের পাশাপাশি সাংবাদিকতা করতেন তারা। তখনকার প্রোপটে স্থানীয়ভাবে সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে ভাবার সুযোগও ছিল না। ফলে সে সময় সাংবাদিকতায় ঝুঁকির মাত্রাও ছিল অপোকৃত কম। মহেশখালী উপজেলার প্রবীণ সাংবাদিক ডাঃ সুলতান উদ্দিন এর মতে একানব্বই পরবর্তী সময়ে সংবাদপত্র জগতে আসে পরিবর্তনের হাওয়া। ১৯৯১ সালে গতানুগতিক ধারার বাইরে শহরের পাশাপাশি মফস্বলেও একদল তরুণ কমিটেড সংবাদকর্মী নিয়ে প্রকাশিত হয় দৈনিক আজকের কাগজ। এরই ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে ভোরের কাগজ, প্রথম আলো প্রকাশিত হয়। অপরদিকে জনকন্ঠ, ইনকিলাব, ইত্তেফাকসহ অন্যকাগজের সংবাদ চাহিদা, সংবাদ পরিবেশনা এবং মফস্বলে পত্রিকার সার্কুলেশন বৃদ্ধি সব মিলিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকতার চিত্র পাল্টে যেতে থাকে। তখনও সাংবাদ পরিবেশন স্থানীয় ভাবে পেশা হিসাবে না দাড়ালেও অনেকে মনে করেন মফস্বলে সিরিয়াস সাংবাদিকতার শুরু ওই সময়েই। ফলে মফস্বলে সংবাদের ত্রে যেমন বাড়ে, তেমনি বাড়ে সংবাদিকতার ঝুঁকিও। আর নব্বই পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকতার হুমকি-নির্যাতনের মাত্রাও যায় অনেক বেড়ে। পেশা হিসেবে সাংবাদিকতা সব সময়ই ঝুঁকিপূর্ণ পেশা। আর সেই ঝুঁকিটা এখন ঢাকার বাইরে মফস্বল এলাকায় ভয়াবহ মাত্রায় বেশি। শহরে কাজ করার সুবিধা হলো একটি পত্রিকা বা মিডিয়ায় একসঙ্গে অনেক সাংবাদিক কাজ করেন। একেকজন সাংবাদিক যে যার মতো একেকটি বিট কভার করেন। ফলে নিজস্ব বিটে কাজ করার সময় তথ্য সংগ্রহ থেকে শুরু করে সবকিছুতে অবলম্বন করেন নিজস্ব কৌশল। এছাড়া সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর রিপোর্টের দায় দায়িত্বও চলে যায় সম্পাদক বা পত্রিকার মালিক পরে ওপর। এ েেত্র ুব্ধ শক্তির পে নির্দিষ্ট সাংবাদিককে খুঁজে বের করা কঠিন। ঢাকায় সাংবাদিকের ওপর হুমকি-নির্যাতনের বিষয়টি মোকাবেলা করা হয় অনেকটা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে। শহরের অধিকাংশ মিডিয়া হাউজের প্রভাব বি¯তৃত থাকে সরকার, রাজনীতিবিদ, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে অনেক কিছুতেই। ফলে শহরের সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ঝুঁকি মফস্বলের তুলনায় অনেকটা কম। আর শহরের বাইরে উপজেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের প্রতিটি মুহূর্ত কাটে ঝুঁকির মধ্যে এবং এেেত্র তারা কতোটা অসহায় তা বোঝা যায় যখন একজন স্থানীয় সাংবাদিক হুমকি-ধমকি, নির্যাতন, মামলা-মোকদ্দমার কবলে পড়েন। প্রকাশিত সংবাদের দায় পত্রিকার হলেও স্থানীয় সংবাদের েেত্র হুমকি-ধমকি, নির্যাতন সবকিছু সামলাতে হয় একা স্থানীয় প্রতিনিধিকেই। মামলায় সম্পাদক, বার্তা সম্পাদককে আসামি করা হলেও অধিকাংশ েেত্র মামলার খরচটুকুও চালাতে হয় ওই  স্থানীয় সাংবাদিককেই। অপরদিকে স্থানীয় সাংবাদিকদের কর্মত্রে ওপেন। পুরো উপজেলা জুড়ে বি¯তৃত। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তাকে চোখ রাখতে হয় সব কিছুর ওপর, নিভৃত গ্রাম থেকে উপজেলার পুরো কর্মকান্ডের ওপর। নানা কষ্ট, বাধা-বিপত্তি এড়িয়ে সমাজের নানা অসঙ্গতি, অনিয়ম দুর্নীতিসহ উন্নয়নভিত্তিক সংবাদ সংগ্রহ করে নিজ খরচেই তা পাঠাতে হয় পত্রিকা অফিসে। আর ছাপা হওয়ার পর সংবাদ সংশ্লিষ্ট শক্তির প্রতিক্রিয়া নিয়ে মানসিকভাবে তটস্থ থাকতে হয় তাকে। কারন হুমকি, নির্যাতন নেমে আসেতে পারে যে কোন সময়। এভাবে প্রতিদিনই একজন স্থানীয় সাংবাদিককে থাকতে হয় ঝুঁকির মধ্যে। মাসে দু-চারবার হুমকি-ধমকির শিকার হননি এমন সাংবাদিক খুঁজে পাওয়া কষ্টকর। সন্ত্রাস-অপরাধ, রাজনীতি-দুর্নীতি এ সবকিছুর সংবাদে তিগ্রস্থ হন যারা, তাদের সবাই যে কোনোভাবে শক্তিধর ব্যক্তি। অনেক কিছুই হতে পারে তাদের হাতের ইশারায়, হয়ও। জাতীয় মিডিয়ার সাংবাদিক তো বটেই, স্থানীয় পত্রিকাগুলো আর্থিক ও প্রতিষ্ঠানিকভাবে দুর্বল থাকায় সম্পাদক ও সাংবাদিকদের প্রতিনিয়ত থাকতে হয় ঝুঁকির মধ্যে।
যেসব স্থানীয় সাংবাদিক এ পর্যন্ত নির্যাতিত হয়েছেন, দেখা যাবে প্রায় সবগুলোতেই রয়েছে প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা, গডফাদারের হাত। সন্ত্রাস, অপরপাধ, দুর্নীতি আর রাজনীতির সংবাদ ছাপা হলে হুমকি-ধমকি ছাড়াও রাজনৈতিক নেতারা ওই সাংবাদিকের পেছনে লেলিয়ে দেন পোষা সন্ত্রাসীকে। অনেক সাংবাদিকের একমাত্র পেশা সাংবাদিকতা হলেও উল্লেখ যোগ্য দুই একটি পত্রিকা কিংবা মিডিয়া ছাড়া অধিকাংশ পত্রিকা-মিডিয়া থেকে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয়না স্থানীয় প্রতিনিধিদের। ফলে আর্থিক কষ্ট অনেক স্থানীয় সাংবাদিকের জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে ওঠে।
মফস্বল প্রতিনিধিরা প্রয়োজনীয় বেতন-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা পেলে ঝুঁকি আর শত বাধা-বিপত্তির মাঝেও একজন স্থানীয় সাংবাদিকের পেশাদারিত্ব যেমন বাড়বে তেমনি বাড়তে পারে ওই পত্রিকা-মিডিয়ার ক্রেটিবিলিটিও। অপরদিকে কিছু অপসাংবাদিকের হলুদ সাংবাদিকের কারণে আজ এই মহান পবিত্র পেশা অ-পবিত্র হতে চলেছে। বিশেষ করে পত্রিকার শহর আমাদের কক্সবাজারের বেশ কিছু দৈনিক পত্রিকায় টাকার বিনিময়ে এমন কিছু ব্যক্তিকে উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে করা হয়েছে যাদের নুন্যতম শিাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণীর নীচে। এ েেত্র যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার কোন বাচ বিচার করা হয়নি। ফলে ওই অনভিজ্ঞ প্রতিনিধিরা নেমে পড়ে চাঁদাবাজীতে। তাই আসুন সবাই অপসাংবাদিকতা বন্ধ করে সৎ ভাবে দেশ ও জাতির কল্যানে নিজেরদেরকে আতœনিয়োগ করি। কারণ দেশ ও জাতি আমাদের কাছ থেকে অনেক কিছু আশা করছে।


সৌদি কূটনীতিক হত্যার তদন্ত শুরু

॥রামু নিউজ ডেস্ক॥  সৌদি দূতাবাসের কর্মকর্তা খালাফ আল আলির হত্যার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন।

শনিবার রাজধানীর পুরান ঢাকায় কে এল জুবিলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি তথ্য জানান। গত সোমবার রাজধানীর গুলশানের কূটনীতিক জোনে খালাফ গুলিতে নিহত হন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “খালাফ হত্যা তদন্তে সৌদি কর্মকর্তা এসেছেন- এ কথা আমিও শুনেছি। তবে তারা কিভাবে এ ঘটনা তদন্ত করবেন তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভর করবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চাইলে সৌদি কর্মকর্তারা আমাদের তদন্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে কাজ করতে পারবেন। তবে এ ব্যাপারে ইতিমধ্যে তদন্ত কাজ শুরু হয়েছে।”

তিনি বলেন,

চট্টগ্রামে গ্রেফতার ১৯০

॥রামু নিউজ ডেস্ক॥   ১২ মার্চের কর্মসূচিকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৯০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

নগর বিএনপি দাবি, গ্রেফতারকৃতদের বেশির ভাগই বিএনপির নেতা-কর্মী।

তবে নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর) শফিকুল ইসলাম জানান, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে শুক্রবার রাতভর নগরীর ১২টি থানা এলাকা থেকে ১৯০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিনি জানান, এতে নিয়মিত মামলা, মাদকবিক্রেতা ও মাদকসেবী, সন্দেহজনক আসামি রয়েছেন। কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে এসব গ্রেফতার করা হয়নি।

তবে নগর বিএনপি সভাপতি আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “সারা রাতে কয়েকশ বিএনপি নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার হয়রানি করে বিএনপি নেতাকর্মীদের ঢাকার সমাবেশে যাওয়া আটকে রাখতে পারবে না।”

রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র

॥ প্রেস বিজ্ঞপ্তি ॥
               বামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ষড়যন্ত্রের খরবে বিদ্যালয়ের অভিভাবক, শিার্থীসহ সর্বত্র ােভের সৃষ্টি হচ্ছে। জানা যায়, বিগত দু’বছর পূর্বে চট্টগ্রাম শিা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত কমিটি ২০০৯ এর বিধি মোতাবেক নির্বাচন করার জন্য ইতিমধ্যে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে। সম্প্রতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক প্রিজাইডিং অফিসারও নিয়োগ সম্পন্ন করা হয়েছে। যার স্বারক নং-২৩৮ তাং ৮/৩/১২। বিদ্যালয়ের এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নস্যাৎ করার জন্য রামুর একটি কুচত্রি মহল উঠে পড়ে লেগেছে। যার ধারাবাহিকতায় বিদ্যালয়ের অভিভাবক নয় এমন এক ব্যক্তিকে অভিভাবক প্রতিনিধি এবং প্রধান শিকের মতামত বহির্ভূত দুইজন শিক প্রতিনিধি নিয়ে মন্ত্রনালয় থেকে বিশেষ কমিটি অনুমোদনের জন্য বোর্ডকে পত্র দেওয়া হয়েছে। স্বারক নং ৭৯ তাং ২৯/২/১২। নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে অভিভাবক মহল নির্বাচনের জন্য জোর প্রচারনা চালাতে দেখা যায়। এমনি মুহুর্তে নির্বাচন বানচালের ষডযন্ত্র অভিভাবক মহলে তীব্র ােভের সঞ্চার করেছে। এব্যাপারে রামু খিজারী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি অফিসিয়ালি কোন প্রত্র এখনো পাওয়া যায়নি বলে জানান, তবে বিষয়টি লোকমুখে তিনি শুনেছেন বলে উল্লেখ করেন। অপরদিকে পবিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান সোহেল সরওয়ার কাজল জানান, আগামী দেড় মাস পরেই ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন অবাধ,শুষ্ট ও নিরপে ভাবে সম্পন্ন করার জন্য সকল প্রকার প্রস্তুতি গ্রহন করা হচ্ছে বলে জানান।

এক সপ্তাহে ১২ টি উন্নয়ন প্রকল্পের নকশা অনুমোদন দীর্ঘ ১১ মাস পর কক্সবাজারে নকশা অনুমোদন দেয়া শুরু

মহসীন শেখ॥   দীর্ঘ এগার মাস পর কক্সবাজারে নকশা অনুমোদন দেয়া শুরু হয়েছে। গত এক সপ্তাহে বিভিন্ন ডেভেলপার কোম্পানীর ১২ টি উন্নয়ন প্রকল্পের ...